Blog

Best Email Marketer হতে চান? তাহলে জেনে নিন কোন দক্ষতাগুলো আপনার থাকা দরকার

Best-Email-marketing

আমরা যে ডিজিটাল মারকেটিং সম্পর্কে এতো কথা বলি আমরা কি জানি, যে কোন গুলো আসলে ডিজিটাল মারকেটিং! আপনাদের সাথে তো ডিজিটাল মারকেটিং এর একটি জনপ্রিয় সেক্টর (SEO) নিয়ে অনেক কথাই বললাম। আজ আসলাম ডিজিটাল মারকেটিং এর অন্য একটি সেক্টর নিয়ে কথা বলতে। আর সেটা হচ্ছে Email Marketing. ইমেইল সম্পর্কে আমাদের সবারই ধারণা তো আছেই। এখন তাহলে Email marketing কি তা জানি। আর তারপর জানবো Best Email marketer হওয়ার জন্যে আমাদের কি করতে হবে।

Email marketing হচ্ছে এমন একটি মার্কেটিং স্ট্রেটেজি যেখানে আপনার টার্গেট কাস্টমার এর কাছে commercial message পাঠানোর মাধ্যমে আপনি Driving sales, increasing customer loyalty, অথবা communicating important information ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। Email marketing হচ্ছে একটি কোম্পানির পূর্ণাঙ্গ মার্কেটিং কৌশলগুলোর একটি অংশ। আপনার সার্ভিস অথবা প্রডাক্ট ই-মেইল এর মাধ্যমে প্রোমোট করা এবং আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখাই হচ্ছে Emailmarketing।

আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা যে ই-মেইল অন্যান্য চ্যানেল থেকে অনেক বেশি ভালো কাজ করে। আর এর কারন হচ্ছে, এর Higher conversion এবং Retention rates যা Social media এর থেকে অনেক বেশি। ফেসবুক, টুইটার থেকে ৩ গুন বেশি অ্যাকাউন্ট আছে ই-মেইল এর।

Email marketing দেখতে অনেক সাধারণ কন্সেপ্ট লাগলেও কিন্তু এটার অনেক ধাপ রয়েছে। আর যারা Email marketing এ Best Email marketer হতে চান তাদের একাধিক কন্সেপ্ট এবং বিভিন্ন স্কিল এ এক্সপার্ট হতে হবে।

আর কি কি স্কিল আপনার প্রয়োজন Best Email marketer হওয়ার জন্যে সেগুলোই হচ্ছে আজকের মূল আলোচ্য বিষয়। তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।


Deliverability:

Email marketing এর প্রথম ধাপই হচ্ছে যে আপনার ই-মেইলটি তার নিজ গন্তব্যে পৌছেছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা। তারমানে, আপনি যে ই-মেইল পাঠালেন তা ডেলিভার হয়েছে কিনা অথবা আপনার ই-মেইল খোলা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে অবগত হওয়া।

আপনার ই-মেইল এর deliverability বিভিন্ন variables এর উপর নির্ভর করে যেমনঃ ISPs, MTAs, throttling, bounces, bulking, spam issues এবং তার সাথে আপনার কন্টেন্ট এর কোয়ালিটি। নিচে কিছু সাধারণ নিয়ম দেয়া হলো যা আপনাকে 99.5%+ deliverability পেতে সাহায্য করবে:

SPAM এর অভিযোগ থেকে সাবধানঃ

  • Spam করবেন না।
  • Double opt-in ব্যবহার করুন।
  • Set expectations আপনার upfront এ expectations গুলো সাজিয়ে রাখুন। যাতে সাবস্ক্রাইবাররা জানতে পারে যে কতদিন আপনার কাছ থেকে তারা তথ্য শুনতে পাবে।

আর হ্যাঁ এখনকার নতুন  “Hot” SPAM law হচ্ছে EU’s General Data Protection Regulation (GDPR). এই আইন করা হয়েছে EU citizens এর জন্যে যাতে তাদের ডাটা প্রাইভেসি রক্ষা হয়।

আর আপনি যদি Email marketing, lead acquisition অথবা Referrals করে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই GDPR এর সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।

Hard bounce গুলো এরিয়ে চলুনঃ

  • Double opt-in ব্যবহার করুন।
  • আর আপনি যদি Double opt-in ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে অন্য কোনো মাধ্যমে আপনার সংরক্ষিত ই-মেইল  গুলোর বৈধতা যাচাই করে দেখুন। 
  • আপনি যদি ফ্রি ই-মেইল সংগ্রহ করে থাকেন তাহলে যাদের থেকে ফ্রিতে নিচ্ছেন তাদের অবশ্যই একটা thank-you মেসেজ পাঠিয়ে দিবেন।
  • আবার আপনি যদি giveaway এর মাধ্যমে ই-মেইল সংগ্রহ করে থাকেন তাহলে আপনার প্রথম মেসেজটি  অন্য কোনো একাউন্ট থেকে আপনার participants দের পাঠিয়ে দেখুন এতে আপনার বাউন্স রেট অথবা আনসাবস্ক্রাইব গুলো আপনার মূল একাউন্ট এ প্রভাব ফেলবে না।

আপনার লিস্ট পরিশোধিত করুনঃ

আপনি যেই ইমেইল একাউন্ট গুলো সংরক্ষন করে রেখেছেন সেখান থেকে অন্তত প্রত্যেক ৬ মাস পর পর inactive subscribers দের সরিয়ে ফেলুন। যদি তারা আপনার গত ২০-৫০টি campaigns খুলে না দেখে থাকে তাহলে সম্ভবত তারা সামনে ১০০টি ক্যাম্পেইনও খুলে দেখবেনা। তাই এমন সাবস্ক্রাইবারদের আপনার কোনো প্রয়োজনই নেই, তাদের যেতে দিন।

জানুন Gmail Promotions tab কিভাবে কাজ করেঃ  

Gmail Promotions tab আপনার email deliverability তে নতুন লেয়ার যুক্ত করে। যদি আপনার ইমেইল ডেলিভার হয় কিন্তু প্রোমোশন ফোল্ডার এ গিয়ে আটকে যায় তাহলে বুঝবেন এটি আপনার সাবস্ক্রাইবার এর কাছে অনেক দেরিতে পৌছাবে অথবা কখনই পৌছাবেনা।  

সমস্যাটা হচ্ছে Gmail তুলনামুলকভাবে Personal emails এর ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধার না, তাই  Promotions tab এর সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়াটা বিতর্কিত বিষয়। যাইহোক, এটা এখন আমাদের জন্যে আনন্দের বিষয় যে আমরা জানি ইমেইল কেনো প্রোমোশন টেব এ চলে যায়। আর তার কারন হচ্ছে: Bulky images, fancy styling, excessive links, different reply-to address এবং email header markup.


List Building:

ই-মেইল লিস্ট বৃদ্ধি করা হচ্ছে আমাদের জন্যে অন্যতম একটি ফল্প্রসূ প্রচেষ্টা যা আপনি আপনার ব্যবসার জন্যে করতে পারেন। একজন ভালো Marketer এর অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের সাবস্ক্রাইবার অর্জন করার পদ্ধতি জানা থাকা প্রয়োজন, যেমনঃ

  • কন্টেন্ট মার্কেটিং 
  • Lead magnets
  • Giveaways
  • Webinars
  • Opt-in tools যেমন- Popups, slide-in forms and top of the page ribbons
  • Social media
  • Guest blogging

Social Media Integration:

Social media শুধু আপনার ব্যান্ড ইমেজ ও exposure অর্জন করতে সাহায্য করে না বরং এটি আপনার ই-মেইল লিস্ট এ সাবস্ক্রাইবার এড করতেও সাহায্য করে। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে প্রায় সব Social media channel technic apply করে তার ই-মেইল লিস্ট বাড়াতে পারেন।

নিচে কিছু ধারণা দেয়ার চেষ্টা করলাম এই বেপারেঃ

  • একটি Twitter website card তৈরী করুন যা দুরদান্তভাবে আপনার Lead magnet হিসেবে কাজ করবে এবং টুইটার প্রোফাইল এ এটি একবারে প্রথমে পিন করে রাখুন।
  • আপনার Facebook page এ সাইন আপ ও সাইডবার apps রাখুন।
  • আপনি আপনার Instagram followers দের কমেন্ট সেকশন এ তাদের ই-মেইল address দিতে বলতে পারেন, যদি কিনা তারা আরো ইন্টারেস্টিং কিছু পেতে চায়।
  • আপনার Instagram story তে আপনার ই-মেইল এর কিছু দুর্দান্ত প্রিভিউ দিতে পারেন।
  • Pinterest এ আপনার ব্লগ এর মাধ্যমে opt-in freebies এ আপনি ট্রাফিক আনতে পারেন।
  • Slideshare থেকে slide presentations এর মাধ্যমে লিড সংগ্রহ করতে পারেন।  

Subscriber Engagement:

সবাই চায় যে তাদের কাছে বড় বড় লিস্ট থাকবে। কিন্তু খুব কম মানুষই এটা উপলব্ধি করতে পারে যে এটাই আপনার ব্যবসার সব সমাধান নয়। এমনকি অল্প লিস্ট দিয়েও আপনি যাদুর মতো ফলাফল পাবেন যদি কিনা সেগুলো ভালো এবং এক্টিভ হয়ে থাকে। এর কারন হচ্ছে Engaged subscribers রা ক্লিক বেশি করে এবং বেশি কিনে। আপনার টপ ১০০০ Engaged subscribers রাই আপনার Revenue অনেকটাই বাড়াতে পারে।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হচ্ছে এই যে , আপনি যদি একবার বুঝে যান যে কিভাবে Engage করবেন আপনার ইমেইল সাবস্ক্রাইবারদের  তখন আপনি আপনার যেকনো সাইজের লিস্টকেই অপ্টিমাইজ করতে পারবেন ।

কিছু নিয়ম যদি আপনি মেনে চলেন তাহলে আপনার সংরক্ষিত ই-মেইল লিস্ট থেকে আপনি প্রত্যাশার থেকে বেশি কিছুই পাবেন। বিশেষভাবে প্রথম ২-৪ সপ্তাহ পর যখন আপনার লিস্টের কেউ সাবস্ক্রাইব করল তখন আপনার এটা নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি আপনার সবটুকু দিয়ে তার এক্সপেক্টেশন পরিপূর্ণ করতে পারছেন কিনা। 

একবার আপনি আপনার নতুন সাবস্ক্রাইবারদের কাছে বিশ্বস্ত হয়ে গেলে , আপনার উচিত হবে তাদের সাথে Communication রাখা এবং এটা মনে রাখা যে তারা কেন ও কোন কারনে আপনার লিস্টে আছে।

আর কিভাবে তাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন তা জেনে নিনঃ

  • নতুন কোন Announcement আগে তাদের পৌঁছে দিন।
  • এমন সব Exclusive content তাদের দিন যা আপনার ব্লগ এ নেই।
  • আপনার সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে বিশেষ কিছু অফার সহজলভ্য করে দিন।
  • আপনার লিস্ট গুলোকে ভাগ করুন এবং সেগমেন্ট অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক তথ্য সেবা দিন।
  • বিরক্ত করা ছাড়াই তাদের সময়মত তথ্য পাঠান।
  • আপনার ইমেইল এমন ভাবে সাজান যেন তা একটি Continuous conversation এর মত হয়।

Open Rate:

যখন আমরা কোন ইমেইল ক্যাম্পেইন করি কোন নির্দিষ্ট লিস্ট এর মানুষের কাছে, তখন আমাদের শুধু একটাই কাজ থাকে আর তা হচ্ছে“Open rate watching”। শুধু এই দেখতে থাকি যে কতটুকু ওপেন রেট বাড়লো।

Email এর open rate শুধুমাত্র একটা Subject line না। ওপেন রেট টা মুলত কিছু বিষয় এর ওপর নির্ভর করে। আর তা মুলতঃ

  • নাম থেকে শুরু করে
  • Preview text
  • পাঠানোর সময়
  • আপনার List quality
  • আপনার Content

যতবেশি মানুষ ইমেইল খুলবে, যতবেশি মানুষ ক্লিক করবে, ততবেশি মানুষ কিনবে, তো আপনাকে এটা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার ইমেইল টা আপনি অপ্টিমাইজ করছেন Higher open rate এর জন্যে।


Click Rate:

বেশির ভাগ Marketing email গুলোই কোনো ক্রিয়াকলাপ করার জন্যে পাঠানো হয়, যেখানে আপনি চাবেন আপনার পন্য গুলো যেনো মানুষ কিনে, শেয়ার করে অথবা engage বাড়ে।

ই-মেইল এ যেকোন ধরনের Action বিবেচিত করা হয় এর click CTA (call to action) এর উপর নির্ভর করে। আর এই কারনেই Click rate (এবং conversion rate) হচ্ছে আপনার Email marketing  এর  Ultimate metric.

সত্যিকারে মূল্যবান অফার দেয়াই হচ্ছে High click rate পাওয়ার “big secret”।  যদি আপনার শেষ পন্যটি ভালো না হয়, তাহলে আপনার কোনো কৌশলই আপনাকে বাঁচাতে পারবে না।

যাইহোক , যদি আপনার Fundamental অফার ভালো হয়, তাহলে আপনার জন্যে কিছু টিপস আছে যেনো আপনার ক্লিক রেট Optimize করতে পারেন।

  • আপনার CTA কে crystal clear করুন।
  • Per email এ one CTA ব্যবহার করুন।
  • শক্তিশালী emotionগুলো নিয়ে আসুন আপনার লেখাতেঃ
    • Curiosity
    • Authority
    • Scarcity
    • Social proof

Analytics And Data:

যেকোনো Email marketing manager তাদের ESP (email service provider) এর Analytics dashboard নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

Email marketing এর বিভিন্ন লেয়ার যেমনঃ Open and click rates, bounces, unsubscribes, list growth and conversion rate আপনাদের একটি স্বচ্ছ ধারণা দিবে যে আপনার email marketing.

strategy আদৌ কাজ করছে কিনা। Best email marketer হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই আপনার Analytics গুলো ফলো আপ করতে হবে। এতে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনার ক্যাম্পেইনটি সঠিক দিকে যাচ্ছে কিনা। 

আপনার email marketing strategy এর প্রথম বিবেচিত জিনিস কি হওয়া উচিত জানেন কি? তা

 হচ্ছে এই নির্ণয় করা যে আপনি কি অর্জন করতে চান এখান থেকে। এটাই আপনার প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত। এরপর এই লক্ষের উপর নির্ভর করে আপনাকে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক কাজগুলো নিখুঁত ভাবে সঠিক পথে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।  


Automation:

Email marketing automation এখন এত তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠছে যে এটাতে এখন আর কোনো নতুনত্ব নেই অথবা এর বিকল্প নেই। আর তাই যেকোনো email marketing strategy এর জন্যে এটি দরকার।

আর এটার কারন ও খুব ভালো। Automated emails গুলো মুলত সময়উপযোগী, ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং খুবই প্রাসঙ্গিক পাঠকদের জন্যে। আর আপনার কি মনে হয় Best email marketer হওয়ার জন্যে এটা আপনার পর্যাপ্ত না! আর এই Automated emails এর ফলে Open এবং Click rates এর উপর Subscriber engagement এর যথার্থ প্রভাব পরে।

আর এখনতো বেশিরভাগ ESPs এ automation এর বৈশিষ্টটি আছে। আর এছাড়া আপনি কিছু সফটওয়্যার দিয়ে Advanced workflows তৈরী করে রাখতে পারবেন। কেমন টুলস ব্যবহার করছেন তা ব্যাপার না, আপনি শুধু আপনার Simple email workflows তৈরি করতে পারছেন কিনা সেটা দেখবেন। আর এগুলো বিভিন্ন পন্থায় করতে পারেনঃ  

  • একটি Email এর লিঙ্ক এ ক্লিক করে
  • আপনার ব্লগ এর একটি পেজ দেখুন
  • আপনার যেকোনো Ads ক্লিক করে দেখুন
  • একটি Qualified lead হওয়া
  • আপনার যেকোনো একটি Lead magnets ফ্রি তে ডাউনলো্ড করুন

Segmentation:

Segmentation একটি শক্তিশালী পদ্ধতি যা আপনাকে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে আপনার লিস্টকে ভাগ করতে সাহায্য করে। এরপর আপনি আপনার Highly targeted emails গুলো আপনার লিস্ট অনুযায়ী সাবস্ক্রাইবার দের পাঠাতে পারবেন।

E-Marketer দের আনুযায়ী,

  • ৩৯% Email marketer রা যারা List segmentation করে থাকে তারা ভালো Open rates পেয়ে থাকে;
  • ২৮% ইমেইল মার্কেটাররা খুব কম Opt-out এবং Unsubscribe rates পেয়ে থাকে;
  • ২৪% মানুষই ভালো Email Deliverability এবং Greater revenue পায়।

এখানে অনেক পথ আছে যে আপনি কিভাবে আপনার লিস্ট Segment করতে পারবেন আপনার Campaign অনুযায়ী।

  • এমন Subscribers যারা আপনার বেশির ভাগ Emails খুলে দেখে কিন্তু ক্লিক করে না।
  • Subscribers যারা ক্লিক করে convert করে না। (তাদের নতুন Campaign পাঠান যাতে আরো কারন উল্লেখ করা থাকবে যে, কেনো তারা আপনার থেকে Product  purchase করবে )
  • Subscribers যারা আপনার শেষ ই-মেইলটি খুলে দেখে নি। (আর যদি তা খুব প্রয়োজনীয় ই-মেইল হয় তবে তাদের আবার নতুন সাবজেক্ট লাইন দিয়ে কিছুদিন পর পাঠান)
  • Subscribers  যারা সব সময় আপনার ইমেইল এর উত্তর দেয়। ( তাদের সেই অনুযায়ী সেবা প্রদান করুন)

দক্ষ Email marketersদের উচিত তাদের লিস্ট Past purchases, interest level, demographics, এবং আরো অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে সেগমেন্ট করা।


Attribution:

Attribution হচ্ছে Digital marketing এর একটি অন্যতম Advanced topic.

একজন Best email marketer সবসময় এটা জানতে চায় যে, সে যেই কৌশল অবলম্বন করল তার কি ফলাফল পাবে। যখন আপনি জেনে যাবেন যে কিভাবে আপনার Marketing efforts কে Convert করবেন, তখন আপনি সামনের স্ট্রাটেজিগুলো কিভাবে উন্নত করবেন এবং কিভাবে আপনার বাজেট ঠিক করবেন তাও বুঝে যাবেন। 

যদিও Email marketing আসলে অনেক বেশি Trackable, কিন্তু Email attribution ও কিন্তু সোজা পথ নয়। বেশির ভাগ কোম্পানির জন্যে একটি Linear A-to-B-to-C email খুবই দুর্লভ।

যাইহোক অনেক কিছু বলে ফেললাম। আপনাদের বলতে চাই, যেকোনো কিছু করার আগে তার পরিষ্কার একটা ধারণা রাখা উচিত। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি আপনাদের সেই ধারনাটা দেয়ার জন্যে। উপরে যেই ১০টি পয়েন্ট উল্লেখ করেছি সেগুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার জন্যে Best email marketer হয়ে উঠাটা সহজ হয়ে উঠবে। আর কমারশিয়াল জগতে এখন Email marketing strategy আসলে খুবই কাজে দেয়। তাই নিজে যত পারবেন তত তথ্যের ভান্ডার জমা করুন, দেখবেন কাজে লাগবে।