Blog

আপনি কি সফলভাবে Twitter Marketing করতে চান? তাহলে চলুন ৪টি ধাপ সম্পর্কে জেনে নেই

Twitter Marketing

আজ আমরা সফলভাবে Twitter Marketing করার জন্য ৪টি ধাপ সম্পর্কে আলোচনা করব। Twitter বেসিক সম্পর্কে আমার মনে হয় আপনাদের সবার কমবেশি ধারনা রয়েছে। এটা হচ্ছে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মধ্যে অন্যতম একটি প্লাটফর্ম, যেখানে মাসে প্রায় ২৩০ মিলিয়ন মানুষ গড়ে প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়নের চেয়েও বেশি Tweet করে থাকে।

কিন্তু এর মানে এই নয় যে আপনি শুধু টুইটারেরে উপর নির্ভর করে আপনার ব্যবসা সেট আপ করতে পারবেন, তাও কি আবার ফেসবুকের পরিবর্তে।

মোটেও সম্ভব নয়! যাই হোক ফেসবুকের এর চেয়ে ৩ গুন বেশি এক্টিভ ইউজার আছে।   

তাহলে কেন ব্যবসার জন্য Twitter ব্যবহার করব?

বেশ, শুনুন নতুনদের জন্যে Twitter এর মাধ্যমে Facebook এর মতো আপনি আপনার সব পোস্ট আপনার সব ফ্যানদের কাছে পৌছাতে পারবেন। সব মানে সব!

Twitter এ কোনো Edge rank নেই, Declining organic reach ও নেই। একবারে বিশুদ্ধ।

আপনি এখানে “Instant access” এর সুবিধা পাবেন যা ফেসবুকে নেই এবং তার সাথে এখানকার Hashtags আপনার কন্টেন্টগুলো কে ফ্রিতেই বিস্তরভাবে ছড়িয়ে দেবে।

পরিষ্কারভাবে এটা বলা যায় Twitter ছোট ব্যবসার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে Twitter marketing করা যায়ঃ

ধাপ ১: Getting Started

ভাল একটি Twitter user name বেঁছে নিন-

Twitter marketing এ প্রথমেই যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার সেটা হচ্ছে একটা সহজ ইউজার নেইম বেছে নেয়া।

যথার্থ, মনে রাখা যায় এমন এবং ব্র্যান্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি Twitter handle (আপনার ইউজার নাম, যেমন: @StoreYaCom) পছন্দ করে নেয়া।  

আপনাকে আপনার ব্র্যান্ড রিলেটেড হতে হবে কারন যাতে মানুষ সহজেই আপনার Business’ handle টাকে খুঁজে বের করতে পারে এবং বুঝতে পারে।

আপনি যদি ব্র্যান্ড রিলেটেড কোনো নাম না পান তাহলে অস্থির হবেন না। এটা খুবই সাধারন ব্যাপার, খুঁজে নাও পাওয়া যেতে পারে, সেক্ষেত্রে Similar কিছু খুঁজুন।

আপনার প্রোফাইলকে সুন্দর করে তৈরি করুন-

Twitter’s এর নতুন Profile layout এ রয়েছে Header photo, যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্র্যান্ডকে তুলে ধরতে পারবেন।

অবশ্যই আপনার প্রোফাইলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করুন যাতে আপনি আপনার ব্যবসাকে সহজেই প্রোমোট করতে পারেন।

এখানে কিছু ধারণা দেয়া হলো যেন আপনি সহজেই Header image সিলেক্ট করতে পারেনঃ

  • User generated content ব্যবহার করুন। যেমনঃ কোন কম্পিটিশনে জয়ী হওয়ার ছবি।  
  • আপনার পণ্যের ছবি।
  • আপনার Brand’s personality এর সাথে সম্পর্কযুক্ত কোনো ছবি। যেমন – কোন খেলাধুলার সামগ্রির কোম্পানি এমন ছবি ব্যবহার করতে পারে যেখানে মানুষ খেলাধুলা করছে। আর আপনার প্রোফাইল এর ছবির জন্যে কোম্পানির লোগো সবচেয়ে বেস্ট হবে।

একটি Killer (কিন্তু বর্ণনামূলক) bio তৈরি করুন-

আপনার Bio হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি সহজেই আপনাকে এবং আপনার পার্সোনালিটিকে তুলে ধরতে পারবেন।

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন যে আপনি কতটা বর্ননা করছেন ১৬০ Character limit এর মধ্যে।

আপনার উচিত আপনার ব্র্যান্ড রিলেটেড কোন কী-ওয়ার্ড  ব্যবহার করা।

যাতে আপনি আপনার  প্রোফাইলের দিক দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পারেন এবং সার্চ ইঞ্জিন এও ভালো পর্যায়ে যেতে পারেন।

ধাপ ২: Twitter Community গড়ে তুলুন

মানুষকে ফলো করুন এবং তাদের সাথে Engage বাড়ান –

আপনি যদি চান যে মানুষ আপনাকে ফলো করুক তাহলে আপনাকে আগে তাদের ফলো করতে হবে ।

কিন্তু আপনাকে চোখ বন্ধ করে সবাইকে ফলো করতে বলছি না। আপনাকে বেঁছে এমন মানুষকে ফলো করতে হবে যারা ইতিমধ্যে অনেকটা ভালো পর্যায়ে আছে টুইটার এ।

Follow:

  • আপনার কাস্টমারদের
  • বন্ধুদের
  • Colleagues
  • রিলেটেড ব্যবসা
  • আপনার ফিল্ডের Influencers
  • ইন্টারেস্টিং এবং ইনফরমেটিভ ইউজারদের।

আপনি যখন লোকদের অনুসরন করা শুরু করবেন, তার মধ্যে অনেকে আপনাকে অনুসরন করা শুরু করবে।

বিশেষ করে যদি তারা আপনার Customer হয় এবং আপনার Brand কে স্বীকৃতি দেয়।

একবার লোকদের Follow করা শুরু করলে, আপনারও উচিৎ তাদের সাথে Engage থাকা। Twitter এর মূল বিষয় হল অর্থপূর্ণ Relationship তৈরি করা।

যদি আপনি কথা না বলেন তাহলে তাঁদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা যায় না। আপনি যত বেশি Active থাকবেন তত বেশি লোক আপনার tweets দেখবে এবং আপনার Brand এর সাথে Engage থাকতে চাইবে।

Favorites and Retweets হচ্ছে engage হওয়ার অন্যতম রাস্তা।

পোস্ট করা শুরু করুন-

ছোটো ছোটো ঘটনা Share করার জন্য Twitter হল একটি অন্যতম জায়গা।

আপনার Facebook এর মতো টুইটারও সংক্ষিপ্ত পোস্ট আপডেট করার জন্যে অনেকটাই জনপ্রিয়।

  • প্রশ্ন করুন।
  • আপনার ব্যবসায় কি কি হচ্ছে বা ঘটছে তা নিয়ে Tweet করুন।  
  • নতুন প্রডাক্টগুলোকে ম্যানশন করুন।
  • অন্যদের Tweets  এ সাড়া দেয়ার মাধ্যমে ইন্টারেকশন বাড়ান।
  • যারা আপনাকে ফলো করছে তাদের Follow-back করুন-

আপনি যেমনটা চান যে, যখন আপনি কাউকে ফলো করছেন সেও যেনো আপনাকে ফলো করে তেমনি অন্যরাও এটাই চায়।

অন্যদের Following back করলে আপনি তাদের কাছে যত্নশীল হিসেবে প্রতীয়মান হবেন যা আপনাকে আপনার পার্সোনাল কানেকশন প্রোমোট করতে সাহায্য করবে।

আপনার Twitter account কে প্রচার করুন-

আপনার Twitter account এর জন্যে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে টুইটারের বাইরের কাজ।

এটা ফেসবুকে ম্যানশন করে দিন, যেনো অন্যরা আপনার Twitter account চেক করে দেখে।

আপনাকে টুইটারে ফলো করলে কি লাভ হবে সেটা অবশ্যই বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবেন।

Social Media Examiner কিভাবে এই কাজ ওয়েবসাইট এ করে তা জেনে নিন-

টুইটারে ফলো করার জন্যে অবশ্যই একটা কারণ থাকতে হবে।

আপনি যদি কোনো Social Media Examiner এর কন্টেন্ট পড়ে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাহলে অবশ্যই আপনার উচিৎ তাকে টুইটারে ফলো করা, যাতে আপনি Up to date থাকতে পারেন।

তাই যখন আপনি মানুষকে বলবেন আপনাকে ফলো করতে, তখন আপনি নিম্নোক্ত কারনগুলো গুলো দেখাতে পারেন-

  • আপনার প্রোডাক্ট আপডেট
  • কোয়ালিটি কন্টেন্ট
  • সেলস, deals, এবং কুপন
  • প্রতিযোগিতা

Twitter এ লিস্ট তৈরি করুন-

আপনি যদি বিভিন্ন মানুষকে ট্র্যাকে রাখতে বেসামাল হয়ে পরেন যাদের আপনি ফলো করছেন,  তাহলে একটি সহজ সমাধান হচ্ছে- create lists।  

Twitter আপনাকে পাবলিক এবং প্রাইভেট লিস্ট করার অপশন দিয়ে থাকে যাতে আপনি সহজেই আপনার Twitter feed কে সাজাতে পারেন।  

Twitter lists ব্যবহারের কিছু ভালো দিক:

  • কাস্টমার লিস্ট- ­আপনার সব ফলোয়ারই আপনার কাস্টমার না।
  • ইনফ্লুয়েন্সার লিস্ট- আপনার ইনফ্লুয়েন্সাররা কি বলছে তা মনিটর করুন।
  • কম্পিটিটর লিস্ট – আপনার কম্পিটিটরসদের জন্যে টেব রাখুন।

ধাপ ৩: আপনার Engagement বাড়ান-

আপনার Tweets এর সময় অপ্টিমাইজ করুন-

সময় আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার Twitter এর জন্যে। Tweet করার পর সেগুলো সাধারণত অনেকটা ছোট দেখায়।

যাইহোক আসল কথা হচ্ছে, আপনি যদি আপনার Engagement বুস্ট করতে চান আপনার Tweets গুলোতে তাহলে আপনাকে অবশ্যই পোস্ট করার সবচেয়ে ভালো সময় টা জানতে হবে।

কিভাবে জানবেন কোনটা সবচেয়ে ভালো সময়?

প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে তা হলো আপনাকে লজিক দিয়ে ভাবতে হবে।

আপনি কখন টুইট করলে আপনার ফলয়ার Twitter feeds থেকে চেক করবে? আপনার টার্গেট কাস্টমাররা ব্যবসায়ীও হতে পারে।

যদি তাই হয় তাহলে সম্ভবত তারা আপনার টুইট সকাল অথবা সন্ধ্যা ৬টার পর দেখতে পারে।

এছাড়া আরও ভালোভাবে  এই কাজ সম্পন্ন করার জন্যে আপনি পেয়ে যাবেন অনেক টুলস যা আপনাকে বিজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সাহায্য করবে।

আর এগুলোর মধ্যে আমার অন্যতম পছন্দের একটি টুলস হচ্ছে Tweriod। এই টুলস এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফলোয়ারদের Analyze করতে পারবেন।

তার সাথে সাথে জানতে পারবেন কখন তারা সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে এবং আপনার Tweets কখন সবচেয়ে বেশি সাড়া পাবে।

যথেস্ট পরিমাণে Hashtags ব্যবহার করুন-

Hashtags একটি চমৎকার পদ্ধতি আপনার Tweets গুলোকে বুস্ট করার জন্যে, যাতে এগুলো তাড়াতাড়ি ছড়াতে পারে। Hashtag ছাড়া একটা Tweet শুধু আপনার ফলোয়াররাই দেখতে পারবে।

যেখানে হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করলে যে কেউ আপনার টুইটস দেখতে পারবে। যারা টুইটারে কিছু সার্চ দেয় তারা হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে থাকে।

ফলে আপনি যেই Hashtag ব্যবহার করেছেন তা দিয়ে কেউ সার্চ দিলে আপনার টুইটটি তার কাছে চলে যাবে। এই ভাবে Tweet করলে আপনি Twitter Marketing সফল হবেন।

এখন কথা হচ্ছে আপনি কোন Hashtag গুলো ব্যবহার করবেন যাতে আপনি সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌছাতে পারেন?

ম্যানুয়ালি শুরু করুন প্রথম দিকে। Twitter search bar এ যান এবং সার্চ করুন এমন কিছু যা আপনার টুইট এর বিষয়ের সাথে relevant, এবং দেখুন কি পরিমাণ মানুষ সেটা ব্যবহার করছে। 

আপনি অনেক টুলস পেয়ে যাবেন যা আপনাকে এইকাজে সাহায্য করবে-

  • Hashtags.org আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট Hashtag এর Estimated volume দেখতে সাহায্য করবে।  
  • Topsy আপনাকে সময়ের সাথে সাথে ট্র্যান্ড অনুযায়ী বিভিন্ন Hashtag দেখাবে।
  • TweetReach আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট Hashtag এর Potential reach দেখতে সাহায্য করবে যা আপনি ব্যবহার করছেন।

আপনার Tweets ছোট করুন-

ভিন্ন ভিন্ন স্টাডিজ থেকে দেখা গেছে যে আপনার টুইট যত ছোট হবে তত বেশি Engagement বাড়বে।

আরো সূক্ষ্মভাবে বলতে গেলে যেসব টুইটস ১০০ Characters এর মধ্যে সেগুলো ১৪০ Characters এর টুইটস থেকে ১৭% বেশি  Engagement rate পেয়ে থাকে।

বিভিন্ন ছবি Tweet করুন

মানুষ সবসময় ভিজুয়াল জিনিসের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। তাই আপনার উচিৎ আপনার টুইটগুলোর সাথে ছবি সংযুক্ত করে দেয়া।

খুবই সাধারণ ব্যাপার Twitter usersদের মধ্যে যারা  ছবি এড করেন তারা দিগুন Engagement পায়।   

দিনের বিভিন্ন সময় একাধিক Tweet করুন-

আপনি যত বেশি Tweet করবেন আপনার Engagement তত বেশি বাড়বে। দিনে অন্তত ৩ বার আপনার টুইট করা উচিৎ- একবার সকালে, একবার বিকেলে এবং একবার সন্ধ্যায়।  

আপনার টার্গেট কাস্টমার এর Time zone আপনার টুইটস এর ক্ষেত্রে অনেক কাজে আসবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার যদি International business থেকে থাকে তাহলে আপনার উচিৎ Time zone অনুযায়ী বারবার টুইট করা, যাতে আপনার Engagement বাড়ে। 

সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি Timing analytics এর দিকে তাকান, যে কোন সময়টা আপনার সবচেয়ে বেশি Engagement নিয়ে আসতে পারে। এবং সেই অনুযায়ী একটি Schedule তৈরি করুন।

Automate এবং Organize করুন আপনার Twitter marketing

প্রত্যেকদিন দিনের বিভিন্ন সময় টুইট করা অনেকটা ক্লান্তিকর কাজ। কেন আপনার কাজ গুলো সহজ করে তুলছেন  না।

আপনি এমন অনেক টুলস পাবেন যেগুলো আপনার Twitter Marketing কাজের ভার কমাবে।

  • Tweetdeck হচ্ছে একটি Twitter management tool যা টুইটারের নিজস্ব। এখান থেকে আপনি আপনার টুইটগুলোকে সিডিউল করতে পারবেন এবং তার সাথে সাথে মনিটরও করতে পারবেন।
  • Hootsuite এবং Buffer উভয়েই খুবই চমৎকার টুলস, যার মাধ্যমে আপনি Tweets সিডিউল করতে পারবেন এবং আপনার Twitter feed মনিটর করতে পারবেন। এছাড়াও অন্যান্য Social accounts মনিটর করতে পারবেন।

সিডিউল করার মাধ্যমে আপনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে এবং অনেক তাড়াতাড়ি আপনি অনেক ভালো ফলও পেয়ে যাবেন।

Analytic tools এর মাধ্যমে আপনার সফলতা যাচাই করুন-

আপনি যদি চান সব টুইটস এর মধ্যে আপনা্র টুইটস সবচেয়ে বেস্ট হোক তাহলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে আপনার কোন টুইটটা সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করছে।

আপনি যদি জানতে পারেন কোনটা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছে তাহলে আপনি সেই টুইট অনুযায়ী আপনার সামনের টুইটগুলোতে একই নিয়ম অবলম্বন করতে পারবেন।   

আর এইটার জন্যে যেসব টুলস গুলো সুবিধাজনক সেগুলো নিচে উল্ল্যেখ করা হলো-  

  • Ritetag, এমনভাবে কাজ করে যে, এটি আগে বের করে কোন Hashtag এর কারনে আপনার ইন্টারেকশন সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। তারপর সেই অনুযায়ী আপনার টুইটস এর পারফর্ম্যান্স ট্র্যাক করে। এতে আপনি খব সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার কোন Hashtag  গুলো ব্যবহার করা উচিৎ সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়ার জন্যে।
  • Buffer আপনাকে দেখাবে যে আপনি কোন ধরনের ইন্টারেকশন পাচ্ছেন আপনার টুইটস থেকে। বিশেষ করে সেই টুইট এ যদি কোনো লিঙ্ক করা থাকে। এটা আপনাকে বলে দিবে যে কি পরিমাণ মানুষ ক্লিক করছে।

আর আপনি যখন প্রতিনিয়ত আপনার Tweets মনিটর করতে থাকবেন তখন আপনি নিজেই বুঝবেন কোন Tweets টা কাজে দিবে আর কোনটা দিবে না।

ধাপ ৪: Twitter এ আপনার ব্যবসাকে বুস্ট করুন-

আপনার ব্র্যান্ডের চারপাশে একটি কমিউনিটি গড়ে তুলুন-

আপনার Twitter profile এর শেষের দিকের লক্ষ্য হতে হবে একটা কমিঊনিটি গড়ে তোলার। যেখানে থাকবে সেসব মানুষ যারা একই বিষয়ে ইন্টারেস্ট দেখায় এবং অবশ্যই আপনার কাস্টমাররা।

আর মনে রাখবেন যেসব মানুষ পার্সোনালি যোগাযোগ রাখে তারাই বেশির ভাগ সময় আপনার প্রোডাক্ট কিনে।

Self-promoting থেকে Non-self-promoting Tweets এর মধ্যে অনুপাত বজায় রাখুন-

কোন Ratio টা Self-promoting vs. Non-self-promoting Tweets এর জন্যে প্রযোজ্য তা এখন সঠিকভাবে কেউ বলতে পারে নি। কেউ বলে ১:৩ আবার কেউ বলে ১:১০।

এখানে কোনো Scientific fact নেই, একটা কোম্পানির জন্যে যেটা কার্যকর অন্যটার জন্যে সেটা কার্যকর না।  

অবশ্যই মনে রাখবেন এটা কোন কড়া নিয়ম নয় শুধু চেষ্টা করবেন একটা ভালো Ratio  বজায় রাখার।

আপনার কন্টেন্ট যেনো সহজেই অন্যরা শেয়ার করতে পারে-

যেই কন্টেন্টটা তৈরি করেছেন তা অবশ্যই আপনার মার্কেটিং স্ট্রাটেজির জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি নিশ্চয়ই আপনার কন্টেন্টটি Twitter এ শেয়ার করবেন, কিন্তু এর সাথে সাথে খেয়াল রাখবেন যে অন্যদের জন্যে যেনো আপনার কন্টেন্টি শেয়ার করা সহজ হয়।

প্রথমেই আপনার যা করা উচিৎ তাহলো আপনার ব্লগ, প্রোডাক্ট পেজ এবং আপনার ওয়েবসাইট পেজ এর মধ্যে একটি Social share buttons রাখা।

তাহলে ইউজাররা খুব সহজেই আপনার পেজ থেকে যেকোনো ভালো কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারবে।

Host কম্পিটিশন-

প্রতিযোগিতা সবসময় মজাদার এবং উত্তেজনাপূর্ন এবং এই কারনে নিজেকে টুইটারে বুস্ট করার জন্যে এইসব প্রতিযোগিতা অনেকটা সহায়ক। কিছু প্রতিযোগিতার ধারণা-

  • ছবি তোলার প্রতিযোগিতা
  • একটা প্রশ্নের সেরা উত্তর
  • Sweepstakes
  • ফলো, Retweet, অথবা Favorite to win

আপনি যদি ক্রিয়েটিভ হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কাছে Endless প্রসেস থাকবে এইসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার।  

আর আরেকটি টেকনিক হচ্ছে আপনি নিজ ইচ্ছায় আপনার ফলোয়ারদের কি ফ্রি তে দিচ্ছেন, এতে আপনি আপনার ব্র্যান্ডকে বুস্টিংই করতে পারবেন না শুধু তার সাথে নতুন নতুন মানুষদের সাথে Engagement বাড়াতে পারবেন।

আপনি Customer service এর দিক থেকে উপরে থাকুন-

আপনি কাস্টমার সার্ভিসের জন্যে একটি আলাদা Twitter handle রাখুন। এতে আপনি আপনার কাস্টমারদের খুব সহজে ভালো সার্ভিস দিতে পারবেন।

টুইটারে কাস্টমার সার্ভিসকে সঠিক পথে চালানোর জন্যে অন্যতম একটি পদ্ধতি হচ্ছে  Mention এর মতো টুল ব্যবহার করা।

এই টুলের মাধ্যমে আপনি যেকোন নির্দিষ্ট কী-ওয়ার্ড মনিটর করতে পারবেন। যেমন বলতে গেলে আপনার ব্র্যান্ডের নাম।

কেউ যদি আপনাকে নিয়ে কথা বলে তাহলে আপনি এই টুলের মাধ্যমে তা জেনে নিতে পারবেন। এর ফলে আপনি আপনার পর্যাপ্ত কাস্টমার সার্ভিস দিয়ে আপনার ব্র্যান্ডের রেপুটেশন বজায় রাখতে পারবেন।

Tweet আপনার সাফল্যের অন্যতম পন্থা

উপরোক্ত আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন যে কিভাবে Twitter marketing এর মাধ্যমে আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন।

এক লাইনে যদি বলতে চাই তাহলে প্রথমে একটি প্রোফাইল খুলুন, তারপর একটি কমিউনিটি গড়ে তোলার চেষ্টা করুন, আপনার ইনফ্লুয়েন্সার বাড়ান, এবং ফাইনালি এইসব ইনফ্লুয়েন্স ব্যবহার করে আপনার ব্র্যান্ডকে বুস্ট করুন।

চেষ্টা করুন উপরের ধাপ গুলো ফলো করার, তাহলে দেখবেন খুব সহজেই আপনি আপনার twitter marketing থেকে আশানুরূপ ফল পাবেন।