Freelancing Course Offer

ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগে যে ৫টি সর্ত আপনাকে মানতেই হবে।

প্রথমেই বলে নিচ্ছি, লেখাগুলো শুধুমাত্র তাঁদের জন্য প্রযোজ্য যারা অনলাইনে কিছু একটা শিখে পড়ালেখা, চাকরি, ব্যাবসা ইত্যাদির পাশাপাশি ক্যারিয়ার দাড় করাতে চাচ্ছেন তবে তা হতে হবে ৫টি সর্ত সাপেক্ষেঃ

  • হালাল উপায়ে উপার্জন করা।
  • ক্ষণস্থায়ী উপার্জন নয় এমন কিছু জানা ও করা।
  • প্রথমে বিষয় সম্পর্কে শিখব ও পরে আরনিং এ নামবো এই মানসিকতা থাকা।
  • “১০০% ইনকাম গ্যারান্টি, না হয় টাকা ফেরত” এই ধরনের ফালতু কথায় বিশ্বাসী না হউয়া।
  • ধৈর্যশীল ও পরিশ্রমি হউয়া।

উপরল্লেখিত সর্ত গুলোর কোন একটি যদি মনে করেন আপনার জন্য প্রযোজ্য নয়, তাহলে দয়া করে নিচের কথাগুলো পড়ে আপনার মুল্যবান সময় নষ্ট না করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। তবে চাইলে শেয়ার করতে পারেন, অন্তত নিজের উপকারে না আসলেও হয়ত আপনারই পরিচিত এমন কেও আছেন, যার জন্য কাজে লাগতে পারে।


চলুন শুরু করা যাকঃ

ক) ফ্রিল্যান্সিং কি?

দুঃখিত, উত্তর দেয়াটা জরুরি মনে করছিনা। আমি ধরেই নিচ্ছি এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আপনি অল্প হলেও জানেন।

খ) কেন ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন?

সোজা কথা, প্রথমে বাড়তি বা বিকল্প আয়ের জন্য। পরবর্তীতে চাইলে এটাকে প্রফেশন হিসাবে বেছে নেয়া। পৃথিবীতে খুব কম মানুষই আছেন যারা এক মুখি উপার্জনে নির্ভরশীল। আমরা প্রত্যেকে কম বেশি চাকরি/ব্যাবসার পাশাপাশি কিছু না কিছু করে থাকি যা থেকে সামান্য হলেও অর্থের জোগান হয়।ধরে নিন এটিও তাই। তবে আশার কথা হল এটাই আমার জানামতে একমাত্র কাজ, যার জন্য আপনাকে কারও মুখাপেক্ষি হবার প্রয়োজন হয় না, বরং নিজেই নিজের বস হিসাবে জিবিকা পরিচালনা করা যায়।

গ) কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং শেখা/করা যুক্তিসঙ্গত?

আমার জানা মতে বিশ্বের প্রায় সকল পেশাজীবী মানুষ বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করছে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যুব সমাজের তরুন প্রজন্ম যারা সরকারি/বেসরকারি স্কুল/কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছেন অথবা শেষ করে বেকার আছেন।

ঘ) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন ফ্রীল্যান্সার এর গড় আয় কত?

এটা বলা খুবই কঠিন কারন আপনার কাজের ধরন এবং কি পরিমান সময় দিচ্ছেন তার সাথে এর সম্পর্ক। এমন লোকও পাবেন যিনি এক ডলার ইনকাম ও করতে পাচ্ছেন না, আবার সেই কাজ করেই অনেকে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। তবে হ্যা, আপনি যদি “ধৈর্যশীল ও পরিশ্রমি” হন এবং সঠিক ভাবে আপনার সময়কে কাজে লাগান, তাহলে মাত্র ৬ মাস থেকে ১ বৎসরের মধ্যে মাসে গড়ে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন নিজের ঘরে বসেই।

ঙ) শেখার আগে কি কি উপকরন থাকতে হয়?

  • একটি ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ।
  • ইন্টারনেট সংযোগ।
  • যদি কোন প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পেতে চান, তাহলে প্রশিক্ষন ফি। আনুমানিক বাজেট (৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা)

চ) শিক্ষাগত যোগ্যতা?

নির্ভর করবে আপনি কি শিখতে চাইছেন। সব কাজ যেমন সবাইকে দিয়ে হয়না, ঠিক তেমনি একই যোগ্যতা দিয়ে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং করা যায় না। তবে শুরু করার জন্য এস,এস,সি পাশ হউয়া আবশ্যক। শিক্ষাগত যোগ্যতা যার যত বেশি, কাজ শেখা ও তার বাস্তবিক প্রয়োগের ক্ষেত্র ও উপার্জন তত সহজ।

ছ) বাংলাদেশে সর্বাধিক প্রচলিত ফ্রিল্যান্সিং কাজের ধরনগুলো কি কি?

  • ডিজিটাল মার্কেটিং
    • এস,ই,ও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)
    • এস,এম,এম (সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং)
    • ইমেইল মার্কেটিং
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
  • এপ্স ডেভেলপমেন্ট
  • ডাটা এন্ট্রি, লিড জেনারেশন
  • ওয়েব রিসার্চ, ওয়েব স্ক্রেপিং ইত্যাদি।

জ) সবই বুঝলাম কিন্তু ডিসিশন নিতে পারছি না, কি করবো?

ফ্রি পরামর্শ পেতে নির্দ্বিধায় আমাদের কাছে চলে আসুন। ইনশা আল্লাহ, যতটুকু জানি তার মধ্যথেকে সেরা পরামর্শ ও সাপোর্ট টাই পাবেন আশা রাখি।


আমাদের ঠিকানাঃ

ক্লিক ভ্যালী আউটসোর্সিং এন্ড অনলাইন শপিং,
শান্তিকুঞ্জ মোর, টাঙ্গাইল – ১৯০০

হটলাইনঃ ০১৭৩-০৫৮-৪২০১
ই-মেইলঃ clickvalleybd@gmail.com
ওয়েবঃ https://clickvalleybd.com

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *